Uncategorized

ধসে পড়া সংযোগ সড়কটি সংস্কার হয়নি, নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে চলাচল

শাহরিয়ার মিল্টন শাহরিয়ার মিল্টন শেরপুর :শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতিবান্দা ইউপির ঘাগড়া প্রধানপাড়া এলাকায়ধসে পড়া কাঁচা সংযোগ সড়কটি তিন বছরেও সংস্কার করা হয়নি।  পাহাড়ি ঢলেরপানিতে ধসে যাওয়া কাঁচা সংযোগ সড়কটির ওপর এলাকাবাসীর উদ্যোগে বাঁশ দিয়েসাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা ভেঙে যাওয়া বাঁশের নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে জীবনেরঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা থাকলেও কর্তৃপক্ষ কাঁচাসংযোগ সড়কটি সংস্কারের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। যেকোন সময় সাঁকোটি ভেঙে পড়েবড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসী শঙ্কা প্রকাশ করছেন।স্থানীয়রা জানান, গত ২০১৮ সালে উপজেলার হাতিবান্দা ইউনিয়নের পাগলারমুখএলাকায় মালিঝি নদীর বাঁধ ভেঙে বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ী ঢলের পানি প্রবেশকরে। এতে ওই ইউনিয়নের ঘাগড়া প্রধানপাড়া এলাকায় মালিঝি নদীর শাখা খালেরওপর নির্মিত বক্স কালভার্টের পূর্ব পাশের কাঁচা সংযোগ সড়কটির প্রায় ৫০ফুট সড়ক ধসে পড়ে। এর পর থেকেই এখনও পড়ে আছে সে অবস্থায়। এতে হাতিবান্দা,ঘাগড়া প্রধানপাড়া, কামারপাড়া গ্রামের মানুষ চলাচলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।ঘাগড়া কামারপাড়া দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আতিকুর রহমানবলেন, এ বক্স কালভাটের সংযোগ সড়ক না থাকায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে নির্মিতনড়েবড়ে সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হয়। এদিক দিয়ে চলাচর করার সময় মনে হয় এবুঝিশিক্ষা উপকরণসহ পানিতে পড়ে যায়।ঘাগড়া প্রধানপাড়া গ্রামের কৃষক হাশেম আলী বলেন, তিন বছর ধরে সড়কটি ভেঙেআছে। ফলে তাদের উৎপাদিত ফসল ও কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে প্রচুর হিমশিম খেতেহয়। তাই এখানে দ্রæত সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়কটি সংস্কারের জন্য সরকারেরকাছে দাবি জানান তিনি।ঘাগড়া কামারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা বেগমবলেন, এ খালের ওই পাড় থেকে আমার বিদ্যালয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী চলাচল করে।সংযোগ সড়কপি ধসে যাওয়ায় ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি ওই স্থানেদ্রæত মাটি ভরাটের দাবি জানান।হাতিবান্দা ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. আকবর আলী বলেন,দীর্ঘদিন ধরে সংযোগ সড়ক ধসে পড়ে  থাকলেও কতৃপক্ষ সংস্কারের কোন পদক্ষেপনেয়নি।স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল বলেন,বিষয়টি জানা ছিল না। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ  করাহবে। ইউএনও ফারুক আল মাসুদ বলেন বলেন, এলাকাবাসীর দুর্ভোগ নিরসনে ঊর্ধ্বতনকর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রæত সময়ের মধ্যে সড়কটি সংস্কারের জন্যপ্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন। :শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতিবান্দা ইউপির ঘাগড়া প্রধানপাড়া এলাকায়ধসে পড়া কাঁচা সংযোগ সড়কটি তিন বছরেও সংস্কার করা হয়নি।  পাহাড়ি ঢলেরপানিতে ধসে যাওয়া কাঁচা সংযোগ সড়কটির ওপর এলাকাবাসীর উদ্যোগে বাঁশ দিয়েসাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা ভেঙে যাওয়া বাঁশের নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে জীবনেরঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা থাকলেও কর্তৃপক্ষ কাঁচাসংযোগ সড়কটি সংস্কারের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। যেকোন সময় সাঁকোটি ভেঙে পড়েবড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসী শঙ্কা প্রকাশ করছেন।স্থানীয়রা জানান, গত ২০১৮ সালে উপজেলার হাতিবান্দা ইউনিয়নের পাগলারমুখএলাকায় মালিঝি নদীর বাঁধ ভেঙে বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ী ঢলের পানি প্রবেশকরে। এতে ওই ইউনিয়নের ঘাগড়া প্রধানপাড়া এলাকায় মালিঝি নদীর শাখা খালেরওপর নির্মিত বক্স কালভার্টের পূর্ব পাশের কাঁচা সংযোগ সড়কটির প্রায় ৫০ফুট সড়ক ধসে পড়ে। এর পর থেকেই এখনও পড়ে আছে সে অবস্থায়। এতে হাতিবান্দা,ঘাগড়া প্রধানপাড়া, কামারপাড়া গ্রামের মানুষ চলাচলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।ঘাগড়া কামারপাড়া দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আতিকুর রহমানবলেন, এ বক্স কালভাটের সংযোগ সড়ক না থাকায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে নির্মিতনড়েবড়ে সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হয়। এদিক দিয়ে চলাচর করার সময় মনে হয় এবুঝিশিক্ষা উপকরণসহ পানিতে পড়ে যায়।ঘাগড়া প্রধানপাড়া গ্রামের কৃষক হাশেম আলী বলেন, তিন বছর ধরে সড়কটি ভেঙেআছে। ফলে তাদের উৎপাদিত ফসল ও কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে প্রচুর হিমশিম খেতেহয়। তাই এখানে দ্রæত সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়কটি সংস্কারের জন্য সরকারেরকাছে দাবি জানান তিনি।ঘাগড়া কামারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা বেগমবলেন, এ খালের ওই পাড় থেকে আমার বিদ্যালয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী চলাচল করে।সংযোগ সড়কপি ধসে যাওয়ায় ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি ওই স্থানেদ্রæত মাটি ভরাটের দাবি জানান।হাতিবান্দা ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. আকবর আলী বলেন,দীর্ঘদিন ধরে সংযোগ সড়ক ধসে পড়ে  থাকলেও কতৃপক্ষ সংস্কারের কোন পদক্ষেপনেয়নি।স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল বলেন,বিষয়টি জানা ছিল না। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ  করাহবে। ইউএনও ফারুক আল মাসুদ বলেন বলেন, এলাকাবাসীর দুর্ভোগ নিরসনে ঊর্ধ্বতনকর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রæত সময়ের মধ্যে সড়কটি সংস্কারের জন্যপ্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।

সংশ্লিষ্ঠ খবরগুলো

Back to top button