আমেরিকা

ফের মানবাধিকার কাউন্সিলে ফিরলো আমেরিকা

তিন বছর পর পুনরায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ফিরলো আমেরিকা। গত বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) সাধারণ কাউন্সিলের ভোটের মাধ্যমে তিন বছরের সদস্যপদ লাভ করে আমেরিকা।

জেনেভাভিত্তিক মানবাধিকার কাউন্সিল বিশ্বজুড়ে নির্যাতিত-নিপীড়িত ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করে থাকে। ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কাউন্সিলটিকে ধিক্কার জানিয়ে বের হয়ে আসেন। তাঁরা বলে যে কাউন্সিলটির আচরণকে ইসরায়েলবিরোধী হিসেবে জানায়। এর পাশাপাশি সংস্থাটির সংস্কার প্রয়োজন বলেও দাবি করেন। পরবর্তীতে, ২০২০ সালের নির্বাচনে ডেমোক্রেট জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হন ট্রাম্প। বাইডেন প্রশাসন শুরু থেকে মানবাধিকারের ওপরে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। তবে, অনেকেই মনে করেন, নিজ স্বার্থমোতাবেক মানবাধিকারের ব্যাপারটি ব্যবহার করে আসছে আমেরিকা।

জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড জানান, ওয়াশিংটন প্রাথমিকভাবে আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চীন, ইথিওপিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনের মতো দেশগুলোর শোচনীয় পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে মনোযোগ দেবে।
লিন্ডা আরও জানান, তাঁদের লক্ষ্য স্পষ্ট—মানবাধিকার রক্ষায় যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ানো। মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সরব হওয়া। এর পাশাপাশি ইসরায়েলবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন লিন্ডা।

৪৭ সদস্যের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য গোপন ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটির মূল লক্ষ্যই মানবাধিকার সমুন্নত রাখা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজাখস্তান, গাম্বিয়া, বেনিন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, প্যারাগুয়ে, হন্ডুরাস, লুক্সেমবার্গ, ফিনল্যান্ড, মন্টেনেগ্রো ও লিথুয়ানিয়া নির্বাচিত হয়েছে। এ ছাড়া পুনরায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছে ক্যামেরুন, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া, ভারত ও আর্জেন্টিনা।

সংশ্লিষ্ঠ খবরগুলো

Back to top button